ঢাকার আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পিটিআইবি সিভিক টেক ইনোভেশন এক্সপো’, এতে বাংলাদেশে যুব-নেতৃত্বাধীন সিভিক টেক ইকোসিস্টেমের নানা উদ্ভাবনী প্রযুক্তি সমাধান উপস্থাপন করা হয়।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই এক্সপোতে সরকারি নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং তরুণ উদ্ভাবকেরা অংশ নেন। এটি ‘পার্টনারশিপস ফর এ মোর টলারেন্ট, ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ (পিটিআইবি)’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তরুণদের প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন দেশের সুশাসন, মানবাধিকার, নারী নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আইসিটি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, 'এই অ্যাপগুলো আলাদা আলাদা না রেখে একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্মে একীভূত করা প্রয়োজন, যাতে বহুভাষায় সহজে ব্যবহারযোগ্য করা যায়।'
বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হ্যাকন অ্যারাল্ড গুলব্রানসেন বলেন, বাংলাদেশের সিভিক টেক খাতে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
ইউএনডিপি বাংলাদেশের ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালী দয়ারত্নে বলেন, 'ছোট ছোট উদ্যোগ থেকে বাস্তব সেবায় রূপান্তর, প্রোটোটাইপ থেকে বাস্তব প্রয়োগে অগ্রগতি দেখে আমি খুব আনন্দিত। বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরাসরি কাজ করে এমন সমাধানগুলো দেখা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।'
দিনব্যাপী এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক আইনগত তথ্য প্ল্যাটফর্ম, ভুল তথ্য প্রতিরোধ টুল, নাগরিক প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা এবং জনসেবা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন উপস্থাপন করেন।
সেরা উদ্ভাবনগুলোর জন্য 'ইনোভেশন গ্রান্ট' প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান, এই এক্সপো তরুণ উদ্ভাবক, সরকার এবং উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে, যা বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করবে।
বিডি প্রতিদিন/মুসা