২০২৬ সালের অন্যতম বড় সিনেমা হওয়ার কথা ছিল যশ অভিনীত ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’। বড় তারকা, বিশাল বাজেট, প্যান-ইন্ডিয়া মুক্তি—সব মিলিয়ে ছবিটিকে ঘিরে প্রত্যাশার কমতি ছিল না। কিন্তু প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর সেই প্রত্যাশার সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি গীতু মোহনদাস পরিচালিত সিনেমাটি। বরং দুর্দান্ত উদ্বোধনের পর এমনভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে যে এখন বছরের অন্যতম বড় আর্থিক ব্যর্থতা হিসেবে আলোচিত হচ্ছে ‘টক্সিক’।
মুক্তির দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরও ছবিটির বিশ্বব্যাপী আয় প্রায় ৩৪০ কোটি রুপিতে আটকে আছে। ট্রেড বিশ্লেষক রমেশ বালা ইন্ডিয়া টুডেকে জানিয়েছেন, ছবিটির লোকসান ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি রুপির মধ্যে হতে পারে। তাঁর হিসাবে, ‘টক্সিক’ ছবিটি বাজেটের প্রায় ৬০ শতাংশই তুলতে পারেনি।
বড় বাজেটের ব্যর্থ সিনেমা হিসেবে ‘টক্সিক’-এর সঙ্গে এখন তুলনা করা হচ্ছে রামচরণ অভিনীত ‘গেম চেঞ্জার’ এবং প্রভাসের ‘আদিপুরুষ’-এর। তিনটি ছবিই বড় তারকা, বিশাল আয়োজন ও বিপুল বাণিজ্যিক প্রত্যাশা নিয়ে নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু বিনিয়োগের তুলনায় আয়—এ জায়গাতেই সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে ‘টক্সিক’।
শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো
‘টক্সিক’-এর সবচেয়ে বড় সমস্যা যে উদ্বোধনী আয় ছিল, তা নয়। বরং ছবিটি শুরু করেছিল ব্লকবাস্টারের মতোই।
চার বছর পর বড় পর্দায় যশের প্রত্যাবর্তন, বিশাল বাজেটের নির্মাণ, নয়নতারা ও কিয়ারার মতো তারকার উপস্থিতি এবং পরিচালক গীতু মোহনদাসের প্রতি দর্শকের আগ্রহ—সব মিলিয়ে মুক্তির আগেই তৈরি হয়েছিল ব্যাপক উন্মাদনা। ছবিটি মুক্তির প্রথম দিন বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৪০ কোটি রুপি আয় করে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়। ভারতে প্রথম দিনের আয় ছিল প্রায় ১০১ কোটি রুপি।