মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে ঝুঁকি
ফিচের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানির ব্যয় ও প্রবাসী আয় এ ক্ষেত্রে বড় উদ্বেগের বিষয়। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ সমপরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, মোট প্রবাসীর আয়ের যা প্রায় অর্ধেক। একই সময়ে দেশের মোট আমদানির প্রায় ১৫ শতাংশ হচ্ছে অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য।
চলতি অর্থবছরের শুরুতে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বেড়েছে। এতে বৈদেশিক খাত কিছুটা চাঙা হলেও এই সংঘাত কত দিন চলবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তাকে বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছে ফিচ।
রিজার্ভ এখনো চাপের মধ্যে
ফিচ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৫০ কোটি ডলার। এই অর্থ দিয়ে চার মাসের সমপরিমাণ আমদানি ব্যয় পরিশোধ করা সম্ভব।
সংস্থাটির মতে, নিয়ন্ত্রিত বিনিময় হারের ব্যবস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নের কারণে রিজার্ভের ওপর চাপ কিছুটা কমেছে। তবে চলতি হিসাবের ঘাটতি বৃদ্ধি, ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কর্মসূচি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে আবারও মুদ্রাবাজার ও রিজার্ভের ওপর চাপ বাড়তে পারে।