ইরানের আয়াতুল্লাহদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সামলাতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাঁধে চাপ কম ছিল না। এর মধ্যেই নতুন তথ্য সামনে এসেছে। মার্কিন গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, রাশিয়া তেহরানকে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে। ফলে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, ট্রাম্প একই সঙ্গে মস্কোর বিরুদ্ধেও এক প্রক্সি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন।
হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে রাশিয়ার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ককে দ্ব্যর্থক বললেও কম বলা হয়। ইরান সংঘাতের শুরুতেই ট্রাম্প প্রায় এক ঘণ্টা ধরে পুতিনের সঙ্গে নানা বিষয়ে আলোচনা করেন। এরপর থেকেই ইউক্রেন বিষয়ে তাঁর অবস্থান নিয়ে ইউরোপীয় মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
ইউক্রেনে মস্কোর লক্ষ্য স্পষ্ট—পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস পুরোপুরি দখল করা। কিন্তু ইরান নিয়ে ক্রেমলিনের কৌশল ততটা সরল নয়। রাশিয়া ও ইরান একটি বিস্তৃত প্রতিরক্ষাচুক্তির অংশীদার হওয়ার ফলে তেহরান ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে সহায়তা করেছে। তবু আয়াতুল্লাহদের প্রতি ভ্লাদিমির পুতিনের দৃষ্টিভঙ্গি দ্বিধাগ্রস্তই রয়ে গেছে; বিশেষ করে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে। ইরান পরমাণু চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পর থেকে পুতিন বরাবরই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার পক্ষে জোর দিয়েছেন।