নতুন কাপড়ে অনেক ধরনের রাসায়নিক থাকতে পারে। এর মধ্যে অতিরিক্ত রং (ডাই) এবং ফরমালডিহাইড থাকতে পারে, যা কাপড় কুঁচকে যাওয়া ঠেকাতে ব্যবহার করা হয়।
শেফার্ড বলেন, ‘আমাদের বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার কারণে কাপড়ে ঠিক কী কী রাসায়নিক আছে, তা জানা কঠিন।’
আপনার মনে হতে পারে, দামি বা ব্র্যান্ডেড কাপড় কেনা কম ঝুঁকিপূর্ণ। এতে কিছুটা সত্যতা আছে। কিন্তু এতেও নিশ্চিন্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বেশি টাকা খরচ করলেই যে কাপড় একদম পরিষ্কার ও ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
শেফার্ড বলেন, ‘অনেক সময় দামি বা ডিজাইনার কাপড় ভালো মানের হয়; কাপড় মজবুত থাকে, চকচকে হয় ইত্যাদি। কিন্তু কাপড় তৈরির সময় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, তেল, ফিনিশিং প্রক্রিয়া আর সংরক্ষণের বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।’
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, কাপড় তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটাই অনেক সময় ‘নোংরা’ হয়। তাই কাপড় সস্তা হোক বা দামি, ব্যবহারের আগে ধুয়ে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো। বিশেষ করে যাঁদের ত্বক সংবেদনশীল, তাঁদের জন্য এটা আরও বেশি জরুরি।