তা সত্ত্বেও পুতিনের ধারণা, শেষ একটা বড় ধাক্কা দিয়েই হয়তো ইউক্রেনের মনোবল ভেঙে দেওয়া সম্ভব। মাসের পর মাস হাত গুটিয়ে বসে থাকার পর ট্রাম্পের নতুন মধ্যস্থতার চেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।

তিনি তাঁর বিশেষ প্রতিনিধিদের মস্কো ও কিয়েভে পাঠিয়েছেন, যা ক্রেমলিনকে জয়ের কাল্পনিক আশ্বাসই জোগাচ্ছে। একদিকে আলোচনার টেবিল গরম করা হচ্ছে, আর অন্যদিকে প্রতিদিন ঝরছে নিরপরাধ মানুষের রক্ত। প্রতিদিনই ঘটছে মানবতাবিরোধী অপরাধ।

প্রতিদিনের এই গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, অনাহার আর লাখ লাখ মানুষের ঘরবাড়ি হারানোর এ চিত্র কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তবে প্রশ্ন ওঠে, পশ্চিমা মিত্র ও ন্যাটো কেন এ তাণ্ডব থামাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না?

এর মূল কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও অস্পষ্ট নীতি, যা ইউক্রেনকে এক অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছে। ২০২২ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনীয়দের সাহায্যের আশ্বাস দিলেও পরে তাদের একপ্রকার ভাসিয়ে রেখে গেছেন। আর ট্রাম্প এসে যেন তাদের পুরোপুরি ডুবিয়ে মারার ব্যবস্থা করছেন।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews