নয়া দিগন্ত ডেস্ক

  • বিপদসীমার ওপরে ৫ নদীর পানি
  • চট্টগ্রাম বোর্ডের আজকের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
  • কক্সবাজারে পানিতে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু

ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিতে কাবু দেশের বেশির ভাগ এলাকা। এর মধ্যে চার দশকের রেকর্ড বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্যাঞ্চল। লাখ লাখ পানিবন্দী মানুষ প্রচণ্ড দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সাথে যুক্ত হয়েছে পাহাড়ধস আর শহর এলাকায় জলাবদ্ধতার ভোগান্তি। এ ছাড়া ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে বৃহত্তর সিলেটে ব্যাপক বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে। মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়ও। সার্বিক পরিস্থিতিতে বন্যাদুর্গত অঞ্চলে মানুষের ধকল দীর্ঘ হতে যাচ্ছে। এ দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতিবিষয়ক পূর্বাভাসে দেশের অন্তত পাঁচ নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পাঁচ জেলায় আজ শনিবারের এইচএসসি, কারিগরি ও মাদরাসা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম জেলায় বন্যার এখনো উন্নতি নেই। ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়া মানুষের কষ্টের দিন কাটছে না। কক্সবাজারেও পরিস্থিতি অপরিবর্তিত। জেলার চকরিয়ায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৌলভীবাজারের রাজনগরে ঢলের পানিতে ভেসে এক বৃদ্ধের মৃত্যু ঘটেছে।

গতকাল শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি ঝরেছে চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গায় ২১১ মিলিমিটার। আর আমবাগানে বৃষ্টি হয়েছে ১৫৩ মিলিমিটার। যদিও আগের দিনের চেয়ে বৃষ্টি অর্ধেকে নেমেছে। এ দিকে রাজধানীতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। গত তিন দিন থেমে থেমে বৃষ্টি ঝরেছে। বৃষ্টির কারণে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

বিপদসীমার ওপরে ৫ নদীর পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নিম্নাঞ্চলে বন্যা ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। আর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

গতকাল বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতিবিষয়ক পূর্বাভাসে বলা হয়, সকাল ৯টার তথ্যানুযায়ী দেশের পাঁচ নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে সাঙ্গু নদীর পানি বান্দরবান পয়েন্টে ৯৫ সেন্টিমিটার, দোহাজারি (চট্টগ্রাম) পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটারের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মাতামুহুরী নদীর পানি লামা (বান্দরবান) পয়েন্টে ৪৭ সেন্টিমিটার, চিরিঙ্গা (কক্সবাজার) পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটারের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া সিলেটে কুশিয়ারা নদীর পানি মারকুলি (সুনামগঞ্জ) পয়েন্টে বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার, ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মনু নদীর পানি মনু রেলব্রিজ (মৌলভীবাজার) পয়েন্টে ৩৫ সেন্টিমিটার, মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৮০ সেন্টিমিটারের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর খোয়াই নদীর পানি বল্লা (হবিগঞ্জ) পয়েন্টে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটারের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্য দিকে সকাল ৯টা পর্যন্ত আরো পাঁচ নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থায় প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া (নীলফামারী), কাউনিয়া (লালমনিরহাট) ও তারাপুর (গাইবান্ধা) স্টেশনে বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে।

আর সিলেটে কুশিয়ারা নদী শেরপুর (মৌলভীবাজার) স্টেশনে, সুরমা নদী কানাইঘাট (সিলেট), ছাতক (সুনামগঞ্জ) ও সুনামগঞ্জ স্টেশনে, সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) স্টেশনে এবং ছোট ফেনী নদী কোম্পানিগঞ্জ (নোয়াখালী) স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।

কক্সবাজারে পানিবন্দী দেড়লাখ, ২ শিশুর মৃত্যু

কক্সবাজার অফিস জানায়, কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় বন্যাপরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। পাঁচ দিনের অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ জনপদ। চার দিকে থইথই করছে বন্যার পানি। এই ভয়াবহ দুর্যোগের মধ্যেই চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এই তিন উপজেলার ৫০টি গ্রামের কমপক্ষে দেড় লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। কয়েক সহস্রাধিক বাড়িঘর বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। ডুবে গেছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট। মাতামুহুরী নদীর কোনাখালী ও মেহেরনামা পয়েন্টে নদী তীররক্ষা বাঁধ ভেঙে গিয়ে ঢলের পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ জনপদ।

এ দিকে চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ৪ নম্বর ওয়ার্ড মাইজ কাকারা এলাকার সোলতান আহমদের ছেলে ওয়াকিম (২) এবং মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ড চরপাড়া এলাকার আরিফুল ইসলামের ছেলে পুষ্প (৩) বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে মারা গেছে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার জানান বন্যার পানিতে নিহত দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের পরিবারকে নগদ অর্থসহায়তা দেয়া হয়েছে। অপর দিকে এরইমধ্যে বন্যাদুর্গত এলাকার ২০ হাজার মানুষ নিকট সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

চকরিয়ায় নৌকা ডুবে ২ বোনের মৃত্যু

চকরিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা জানান, চকরিয়ায় নৌকা ডুবে গতকাল দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। এ দিকে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের রসুলাবাদ এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শনকালে লোকজন ভয়াবহ বন্যার চিত্র তুলে ধরেন। বরইতলী ইউনিয়নের রসুলাবাদ এলাকায় বাড়ির চালা পর্যন্ত ডুবে যায় বানের পানিতে। প্রাণরক্ষার জন্য আবদুল মালেক নামের এক কৃষক তার পরিবারের সদস্যদেরকে নৌকায় করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে অন্যত্র যাচ্ছিল। এ সময় বাতাসের কবলে পড়ে বন্যার পানির স্রোতে নৌকা ডুবে গেলে তার তিন সন্তান নিখোঁজ হয়ে যায়। তন্মধ্যে দুই বোনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে একবোন জেরিনের (৭) মৃত্যু হয়। অপর বোন সাওরিন মনি (১০) কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরেক বড় বোন হাসনাতুল জন্নাত ঝর্ণা (১২) নিখোঁজ থাকলেও তাকে ছয় ঘন্টা অভিযান চালিয়ে লাশ উদ্ধার করে দমকল বাহিনীর লোকজন। বরইতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছালেকুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বন্যার পানির প্রবল স্রোতে নৌকা ডুবে এ দুই বোনের মৃত্যু হয়।

হবিগঞ্জে বাঁধ ভেঙে ২৫ গ্রাম প্লাবিত

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ নামক স্থানে বাঁধ ভেঙে অন্তত ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে খরস্রোতা খোয়াই নদীর পানি দ্রুতগতিতে লোকালয়ে প্রবেশ করতে থাকে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে লস্করপুর ইউনিয়নের এবং বাহুবল উপজেলার লামাতাশী ইউনিয়নের অন্তত ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। রাতেই সাধারণ মানুষ গৃহপালিত পশু ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যান। অনেকে বাড়িঘরে তালাও লাগাতে পারেননি। বাঁধ ভাঙনের স্থান দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল।

মৌলভীবাজারে অর্ধলক্ষাধিক পানিবন্দী

রাজনগর (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা জানান, মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় মনু নদীর ভাঙনে ২৫টি গ্রামের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। পানির তোড়ে ভেসে গিয়ে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। ৯ জুলাই বিকাল ৪টার দিকে টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুর হরিপাশা এলাকায় মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে প্রথমে সাতটি গ্রাম প্লাবিত হলে ওই দিন রাতে কান্দিরকুল এলাকায় দ্বিতীয় ভাঙন দেখা দিলে নতুন করে ১৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়।

এ দিকে বন্যার পানির তোড়ে ভেসে গিয়ে টেংরা ইউনিয়নের আকুয়া গ্রামের আশরাফ আলী (৭০) নামে এক বৃদ্ধ মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আশরাফ আলী নিখোঁজ হলে দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর আকুয়া এলাকায় মনু নদীর রিং বাঁধের সাথে তার লাশ ভাসমান অবস্থায় স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে।

তাহিরপুরে হাওরের পানি বাড়ছে

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, বৃষ্টি কমলেও সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে বাড়ছে নদী ও হাওরের পানি। সে কারণে উপজেলার নিম্নাঞ্চলে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সড়কে পানি উঠার আশঙ্কা বাড়ছে। স্বল্প মেয়াদে বন্যা হতেও পারে। আর তা নির্ভর করছে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানির ওপর বলে জানিয়েছে পাউবো।

চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড ১৬৭ মিমি বৃষ্টি

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানান, চুয়াডাঙ্গায় নেমেছে নজিরবিহীন মুষলধারে বৃষ্টি। প্রবল বর্ষণে গতকাল ভোর রাত থেকেই থমকে গেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরসহ আশপাশের এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে জেলার অধিকাংশ নিচু এলাকা। ২০২০ সালের আমফানের পর এটাই রেকর্ড ভাঙা বৃষ্টি।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ভোর রাত ৩টা ৪০ মিনিট থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত মাত্র ৫ ঘণ্টা ২০ মিনিটে চুয়াডাঙ্গায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া

বাসস জানায়, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জেলার সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে অনেক এলাকা। জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর ত্রাণ কার্যক্রম

পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণসহায়তা, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং যোগাযোগব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দুর্যোগের কারণে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার ফলে সড়ক যোগাযোগ বিঘিœত হলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় প্রকৌশল সরঞ্জাম ও ভারী যন্ত্রপাতির সহায়তায় মাটি ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনে কাজ করছেন। একই সাথে ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এলাকা থেকে প্রায় ২২১টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ ছাড়াও দুর্গম এলাকায় আটকেপড়া পর্যটকদের নিরাপদে উদ্ধারে সেনাবাহিনী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ পর্যন্ত বান্দরবান থেকে ১৪০ জন এবং সাজেকে আটকেপড়া প্রায় ৬০০ জন পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে ১৫০ জনকে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews