সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেছেন, বিচার বিভাগ পৃথকীকরণে বাস্তব চিত্র হচ্ছে হাসিনার আমলে যা ছিল এখনো তাই থাকল। বিচার বিভাগ নিয়ে দুটো আইন আছে, একটা হচ্ছে অ্যাপয়েন্টমেন্ট অব জাজেজ, আরেকটি সচিবালয়। সচিবালয় স্থাপনের বিষয়ে কোনো নোট অব ডিসেন্ট ছিল না। তারপরও সচিবালয় বাতিল করা হলো। এটা স্থাপনের পর ফাংশন করছিল, লোক নিয়োগ হয়েছিল। জুডিশিয়ারি সুপ্রিম কোর্টের অধীনে আনতেই সচিবালয় করা হয়েছিল। বাতিল করাতে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে গেল। যেই লাউ সেই কদু হয়ে গেল।

নয়া দিগন্ত : নির্বাচিত বিএনপি সরকার তাদের মতো করে হয়তো বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ করার কথা ভাবছে

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির : জাজেজ অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য আপনি আইন করলেন, অর্ডিনেন্স করে দুইবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিলেন, সাক্ষাৎকার নিলেন, বিজ্ঞাপন দিলেন, তারপর সেটাকে বাতিল করলেন। এখন সংবিধান অনুযায়ী যদি জাজেজ অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিতে চান তাহলে পলিটিক্যাল চয়েস। আপনি যাকে দেবেন, চিফ জাস্টিস সাহেব রিকমান্ড করুক আর না করুক যেটা আইন মন্ত্রণালয় পাঠাবে সেটাই রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয়ে যাবে। সো বিচার বিভাগের যে স্বাধীনতা বলা হচ্ছিল, বিচার বিভাগের যে পৃথকীকরণের কথা বলা হচ্ছিল সেটা এখন অন্তঃসারশূন্য হয়ে গেল।

নয়া দিগন্ত : রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছাড়া তো আর পরিবর্তনের সুযোগ নাই।

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির : আরতো রাজনৈতিক পরিবর্তন মানে তারা যে জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করার কথা বলছে এটাও একটা ধাপ্পাবাজি, ধোঁকাবাজি কারণ তারা যে বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দেয়নি সেটাও মানল না। কাজেই গণভোট আদেশ বাদ হয়ে গেল, জুলাই সনদ বাদ হয়ে গেল, তাহলে কিভাবে আজ ইনডিপেন্টডেন্ট জুডিশিয়ারি হবে। আবার জুডিশিয়ারি রাজনৈতিক দলের আজ্ঞাবহ হয়ে গেল। আবার সেই দলীয়করণ হবে। সেই একই চিত্র। বিচার বিভাগ নিভৃতে কাঁদবে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews