স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘ট্রলি বিক্রি আমরা শতভাগ বন্ধ করে দেব। দালালের ব্যাপারে আমরা ওয়াকিবহাল। কেবল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) নয়, দেশের সব সরকারি হাসপাতাল থেকে দালালের দৌরাত্ম্য নির্মূল করা হবে। গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও অস্ত্রোপচার কক্ষ ঘুরে দেখেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগে এলেই দেখতাম শত শত তেলাপোকা দৌড়াদৌড়ি করছে, আজ সে দৃশ্য পাইনি। তেলাপোকা দেখেছি, কিন্তু সংখ্যায় কম। আরও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সব রোগী ওষুধ পাচ্ছে না, এটা একটি অভিযোগ। অনেক সময় সরবরাহে সমস্যা হয়ে যায়, সেটাও আমরা আলাপ করেছি। একটি ওটি (অপারেশন থিয়েটার) খুবই চমৎকার। এটা একজন ব্যক্তি অনুদান দিয়েছেন। তবে আমাদের ওটিগুলোর অবস্থা তেমন উন্নতমানের না। ওটিগুলো নতুন করে সংস্কার করতে হবে। পরিচ্ছন্নতা ও রোগী ধারণক্ষমতা বাড়াতে সরকার উদ্যোগ নেবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন এখানে (ঢামেক হাসপাতাল) অতিরিক্ত দেড় হাজার রোগী থাকে। অনেক সময় একই বেডে দুজন-তিনজন রোগী রাখতে হয়। আমাদের সেবা দেওয়ার সক্ষমতার তুলনায় রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। রোগী অনুপাতে চিকিৎসকের সংখ্যা কম, অ্যানেস্থেসিস্ট কম, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও স্টাফ কম।’ অপারেশন থিয়েটারগুলো উন্নতমানের করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ‘আমাদের অপ্রতুলতা আছে, জনবল কম, রোগী ধারণক্ষমতা কম, লন্ড্রি ওয়াশিংয়ের নিজস্ব কোনো প্ল্যান্ট নেই। যাকে দেওয়া হয়েছে, নিম্নমানের ওয়াশ। ময়লা রয়ে গেছে কিন্তু আয়রন করে দিয়ে দিয়েছে। আমি কাকে দোষ দেব? আমাদের তো নিজস্ব প্ল্যান্ট নেই! আমি পরিচালককে বলেছি, ঠিকাদারের বিল কাটতে।’