যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই হওয়া পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি কার্যকর হলে দেশটি থেকে সাড়ে চার হাজার শ্রেণির পণ্য আমদানিতে শুল্ক (কাস্টমস শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক) শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে বাংলাদেশকে। চুক্তি কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই এই সুবিধা কার্যকর হবে। বাকি ২ হাজার ২১০ শ্রেণির পণ্যে ধাপে ধাপে শুল্ক প্রত্যাহার করতে হবে।
আমদানিতে শুল্কছাড় দেওয়া হলেও মূল্য সংযোজন কর বা মূসক বা ভ্যাট, অগ্রিম কর ও অগ্রিম আয়করে ছাড় দেওয়া হয়নি। আমদানি পর্যায়ে এসব কর পরিশোধ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া পণ্যে যে রাজস্ব আদায় হয়, তার ৩৮ শতাংশ আমদানি শুল্ক থেকে এবং ৬২ শতাংশ আসে বিভিন্ন কর থেকে।