সংবাদ সম্মেলনে হেমা চাকমা অভিযোগ করেন, ‘আজগুবি “অশালীনতা” প্রতিরোধে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যার পর কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাত ১০টার পর মল চত্বরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকায় নারী শিক্ষার্থীদের দেখা গেলে তাঁদের সেখান থেকে জোরপূর্বক চলে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। এই নিষেধাজ্ঞা কোনো লিখিত নীতিমালায় নেই, কোনো গণবিজ্ঞপ্তিতে নেই, কোনো আইনি ভিত্তিও নেই। প্রশাসন বেআইনিভাবে এটি কার্যকর করছে। নিরাপত্তার নামে প্রশ্ন, জেরা ও হয়রানির ঘটনা আজ নিয়মিত বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
একই জায়গায় পুরুষ শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে চলাচল করা, অবস্থান করা, আড্ডা দেওয়ার উদাহরণ টেনে হেমা চাকমা বলেন, এই দ্বিমুখী আচরণ স্পষ্ট করে দেখিয়ে দেয়, বিশেষ নিরাপত্তার নামে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর ধারাবাহিকভাবে বৈষম্য ও হয়রানি চলছে।