ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

  • প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেকেরও কম ক্যালরি, অপুষ্টির ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা
  • খাবারে কেঁচো, ব্লেড, জোঁক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
  • জরিমানা-সতর্কীকরণে সাময়িক সমাধান, স্থায়ী ব্যবস্থা কোথায়?
  • প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থীর খাবার তবু নেই কার্যকর স্বাস্থ্য নজরদারি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর ক্যান্টিন ও মেসে খাবারের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ এখন চরমে পৌঁছেছে। চড়া দামে পুষ্টিহীন খাবারের পাশাপাশি খাবারে কেঁচো, পোকামাকড়, জোঁক, ব্লেড, স্ক্রাবারের অংশ, কাপড়ের টুকরোসহ নানা ধরনের অস্বাস্থ্যকর ও বিপজ্জনক বস্তু পাওয়ার অভিযোগ উঠছে। একের পর এক ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও ক্ষোভ। অভিযোগের পর বিভিন্ন সময়ে জরিমানা, সতর্কীকরণ, সাময়িকভাবে ক্যান্টিন বন্ধ এবং পরিচালক পরিবর্তনের মতো ব্যবস্থা নেয়া হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষার্থী প্রায় ৪০ হাজার ২২৬ জন। আবাসিক হল ১৮টি ও হোস্টেল তিনটি। এর মধ্যে ১৩টি ছাত্রদের, পাঁচটি ছাত্রীদের এবং একটি বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য। আবাসিক হলগুলোতে বৈধ সিটের সংখ্যা প্রায় ১৭ হাজার। এর বাইরে আরো বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী বিভিন্নভাবে হলে অবস্থান করেন। প্রতিটি হল ও হোস্টেলে ক্যানটিন বা ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে। আবাসিক শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ এসব খাবারের ওপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি অনাবাসিক শিক্ষার্থীদেরও অনেকে ক্লাসের ফাঁকে এসব ক্যান্টিনে দুপুরের খাবার খান। ফলে খাবারের মান ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় অংশের শিক্ষার্থীর জীবনযাত্রার সাথে সরাসরি জড়িত।

চড়া দাম, কমছে খাবারের পরিমাণ

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এক টুকরো মুরগির মাংস ও সবজি দিয়ে ভাত খেতে সর্বনিম্ন ৫৫ টাকা লাগে। এক টুকরো মাছ ও এক বাটি সবজি দিয়ে খাবারে খরচ ৪৫ টাকা, ডিম ও সবজিতে ৪৫ টাকা এবং ছোট দুই টুকরো গরুর গোশত ও সবজি দিয়ে খেতে লাগে ৭০ টাকা। আলাদা হিসাবে ভাতের দাম প্রায় ১৫ টাকা, সবজি ৫ থেকে ১০ টাকা, মাছ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, মুরগি ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং গরুর গোশত প্রায় ৫৫ টাকা। ফলে এক বেলায় আমিষসমৃদ্ধ খাবার খেতে একজন শিক্ষার্থীর অন্তত ৮০ টাকা খরচ হয়।

মেসে খাবারের খরচ তুলনামূলক কম। সেখানে দুপুর ও রাতের খাবারের জন্য দৈনিক প্রায় ৮০ টাকা হিসেবে কমপক্ষে ১৫ দিনের বিল একসাথে জমা দিতে হয়। তবে মেসের খাবারও পুষ্টিগতভাবে সুষম নয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকরা। শিক্ষার্থীদের অনেকে এই খরচও বহন করতে পারছেন না। ফলে খাবার কমিয়ে দেয়া, একবেলার খাবার দিয়ে দুই বেলা চালানো কিংবা সকালে নাশতা বাদ দেয়ার মতো প্রবণতা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘ব্রাঞ্চ’ নামে পরিচিত এই ব্যবস্থায় সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবার একসাথে খেয়ে খরচ কমানোর চেষ্টা করছেন অনেকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তারিক জানান, তিনি একটি টিউশনি করে মাসে চার হাজার টাকা আয় করেন। এই অর্থ দিয়েই তাকে থাকা-খাওয়া, পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ চালাতে হয়। ফলে খাবারের পেছনে বাড়তি টাকা ব্যয় করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। শামসুন্নাহার হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সুমাইয়া জানান, শুধু খাবারের জন্য মাসে প্রায় চার হাজার টাকা খরচ করেও চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত খাবার পাওয়া যায় না।

প্রয়োজনের তুলনায় ক্যালরি ঘাটতি

খাবারের দাম ও পরিমাণের পাশাপাশি বড় সঙ্কট পুষ্টিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের হিসাবে, একজন পূর্ণবয়স্ক শিক্ষার্থীর দৈনিক প্রায় দুই হাজার ৮০০ থেকে তিন হাজার কিলোক্যালরি প্রয়োজন। অথচ হলের ক্যানটিন ও মেসে শিক্ষার্থীরা যে খাবার খান, সেখান থেকে গড়ে এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৮০০ কিলোক্যালরি পাওয়া যায়। অর্থাৎ দৈনিক প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় এক হাজার থেকে এক হাজার ৫০০ কিলোক্যালরি ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

ঢাকার পপুলার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশির তথ্য অনুযায়ী, ৩০ গ্রামের একটি রুটিতে ৭০ থেকে ৭৫ ক্যালরি, একটি ডিমে প্রায় ৯০ ক্যালরি, ১০০ গ্রাম মিশ্র সবজিতে প্রায় ৫০ ক্যালরি, ৬০ গ্রাম ভাতে ৭৫ থেকে ৮০ ক্যালরি, ৩০ গ্রাম মাছে প্রায় ৪০ ক্যালরি এবং ৩০ গ্রাম মুরগিতে ৪০ থেকে ৬০ ক্যালরি থাকে। এই হিসাব থেকে দেখা যায়, ক্যানটিনে পরিবেশিত অল্প পরিমাণ আমিষ ও সবজি দিয়ে শিক্ষার্থীদের দৈনিক পুষ্টিচাহিদা পূরণ করা কঠিন।

পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, একজন শিক্ষার্থীর খাদ্যতালিকায় ভাত, আলু, ছোট মাছ, শাকসবজি, মৌসুমি ফল, গোশত, চিনি বা গুড় ও দুধের মতো বিভিন্ন খাদ্য উপাদান থাকা প্রয়োজন। একটি পূর্ণাঙ্গ দৈনিক খাদ্যতালিকায় প্রায় ২৫০ গ্রাম ভাত, ১০০ গ্রাম আলু, ৮০ গ্রাম ছোট মাছ, ২৫০ গ্রাম শাকসবজি, ২৫০ গ্রাম মৌসুমি ফল, ৫০ গ্রাম গোশত, ২০ গ্রাম চিনি বা গুড় এবং ৩০০ গ্রাম দুধ থাকতে পারে। কিন্তু হলের খাবারে ফলমূল প্রায় অনুপস্থিত, সবজির পরিমাণ কম এবং মাছ-গোশতের টুকরোও খুব ছোট।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক কাজী রেজাউল করিম বলেন, ক্যানটিন ও মেসের খাবার শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যালান্সড ফুড নয়। ছোট এক টুকরো মাছ বা গোশত দিয়ে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান পাওয়া সম্ভব নয়। খাবারে ফল থাকে না, সবজি কম এবং ভালো মানের তেল ব্যবহারে ঘাটতির অভিযোগও রয়েছে। দীর্ঘদিন এমন খাবার খেলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

মেধা ও পড়াশোনায় এর প্রভাব সম্পর্কেও সতর্ক করেছেন তিনি। অধ্যাপক রেজাউল করিমের মতে, মেধা বিকাশে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের ঘাটতি থাকলে শিক্ষার্থীদের ওপর তার প্রভাব পড়বে এবং তারা পড়াশোনায় পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারবেন না। একই বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সুষম, বৈচিত্র্যময় ও পরিমাণমতো খাবারের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। এর প্রভাব শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ওপর পড়া স্বাভাবিক।

খাবারে কেঁচো, ব্লেড, জোঁক

খাবারের পুষ্টিমান নিয়ে সঙ্কটের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা নিয়েও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। গত ৩০ জুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ক্যানটিনে গোসলের কাজে ব্যবহৃত অপরিষ্কার জগ দিয়ে খাবার পানি পরিবেশনের অভিযোগ ওঠে। পরে ক্যানটিন পরিচালককে বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু ২১ জুলাই নতুন পরিচালক দায়িত্ব নেয়ার পরই এক শিক্ষার্থীর মুরগির গোশত ও পুঁইশাকের তরকারিতে কেঁচো পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় হল প্রশাসন ক্যানটিনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

জসীমউদদীন হলের ক্যানটিনে গত ১৬ জুলাই হাঁসের গোশতের তরকারিতে একটি ধারালো ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ করেন এক শিক্ষার্থী। পরে ক্যানটিন পরিচালককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর আগেও ওই ক্যানটিনের খাবারে জোঁক ও কাপড়ের টুকরো পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। হলটির প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এস এম আরিফ মাহমুদ বলেন, বস্তার সুতা কাটার সময় অসাবধানতার কারণে ব্লেডটি তরকারিতে পড়তে পারে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে বাবুর্চিদের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে এবং সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ক্যানটিনেও গত ৫ জুলাই তরকারিতে ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা ক্যানটিনে তালা দেন। হলটির প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: নুরুল আমিন খাবারের মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন।

বিজয় একাত্তর হলের ক্যানটিনে গত ১২ জুলাই সবজিতে বাসন মাজার স্ক্রাবারের অংশ পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর কয়েক দিন পর ২০ জুলাই খাবারে পোকা পাওয়ার অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। মাস্টারদা সূর্য সেন হলের ক্যানটিনে খাসির ফুসফুসের তরকারিতে তেলাপোকা পাওয়ার অভিযোগে ওই খাবার বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সতর্ক করা হয়। এর বাইরেও বিভিন্ন সময়ে খাবারে দড়ি, রাবার ব্যান্ড, টাকার নোটের অংশ, মাছি ও কাঁকড়ার অংশ পাওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।

জরিমানা, সতর্কীকরণেই কি সমাধান?

শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, এত ঘটনার পরও কেন স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। তাদের অভিযোগ, প্রশাসন কোনো ঘটনা সামনে এলে জরিমানা বা সাময়িক ব্যবস্থা নেয়; কিন্তু কিছুদিন পর পরিস্থিতি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। মাস্টারদা সূর্য সেন হলের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত খাবারের নামে অখাদ্য খেতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রশাসন ও হল সংসদের যথাযথ তদারকির অভাবেই ক্যানটিন কর্মচারীদের মধ্যে এমন বেপরোয়া মনোভাব তৈরি হয়েছে বলে তার অভিযোগ।

ক্যানটিন ও ক্যাফেটেরিয়ার রান্নার পরিমাণও কম নয়। কয়েকটি ক্যানটিনের মালিক ও বাবুর্চিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কোনো কোনো ক্যানটিনে সকালে ২০০ থেকে ২৫০ শিক্ষার্থীর খাবার রান্না হয়। দুপুরে প্রায় ৫০০ এবং রাতে ৪০০ থেকে ৪৫০ জনের খাবার প্রস্তুত করা হয়। ছাত্রীদের হলের ক্যানটিনে রান্নার পরিমাণ তুলনামূলক কম; তাদের অনেকে নিজেরাই রান্না করে খান। এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর খাবার প্রতিদিন প্রস্তুত হলেও খাদ্যমান যাচাই ও রান্নাঘরের স্বাস্থ্যবিধি তদারকির কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

সার্বিক বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সলের অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, হল ক্যানটিনের খাবারে ব্লেড, পোকামাকড় বা অন্য কোনো অস্বাস্থ্যকর বস্তু পাওয়ার ঘটনায় কোনো ছাড় দেয়া হবে না। তিনি সংশ্লিষ্ট হল প্রশাসনকে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনে অভিযুক্ত ক্যানটিন পরিচালকদের সাথে চুক্তি বাতিল করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তবে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা শুধু জরিমানা কিংবা ক্যানটিন বন্ধ করা নয়। তাদের দাবি, প্রতিটি ক্যানটিনে নিয়মিত খাদ্যমান পরীক্ষা, রান্নাঘর ও সংরক্ষণস্থলের স্বাস্থ্যবিধি পরিদর্শন, নিরাপদ পানি ব্যবহার, উন্নতমানের কাঁচামাল ও তেল নিশ্চিত এবং খাবারের পুষ্টিমান নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়কে ভর্তুকি দিয়ে কম দামে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে হবে।

দেশের অন্যতম শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হাজারো শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন খাবার যদি একই সাথে ব্যয়বহুল, অপুষ্টিকর ও অনিরাপদ হয়, তাহলে তা কেবল ক্যানটিন ব্যবস্থাপনার সমস্যা নয়; এটি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ সক্ষমতার সাথেও সম্পর্কিত। তাই ‘ব্লেড-পোকা-কেঁচো’ পাওয়ার পর জরিমানা দিয়ে দায় শেষ করার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক খাদ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই এখন সবচেয়ে জরুরি। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন একটাই-ঢাবির হল ক্যানটিনে খাবারের এই দুর্ভোগ কমবে কবে?



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews