তিনি বলেন, অর্ধকোটি টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত আমির আটক হয়েছেন। যেখানে নির্বাচনে অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন প্রতিহত করতে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, সেখানে একটি জেলার সর্বোচ্চ নেতা এই বিপুল পরিমাণ টাকা কী উদ্দেশ্যে বহন করেছেন, প্রশ্ন আসছে।
আচরণবিধির এই স্পষ্ট লঙ্ঘন গণবিছিন্ন দলটির দেউলিয়াত্ব ও অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রমাণ বহন করে বলেও মন্তব্য করে তিনি বলেন, ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পরও কী কারণে এতগুলো টাকা বহন, তা বুঝতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। সৈয়দপুর বিমাবন্দরের কাণ্ডকে বিচ্ছিন্ন বলার সুযোগ নেই।
বিএনপির জনপ্রিয়তায় একটি গোষ্ঠী নানা প্রতিবন্ধকতার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করে আর্থিক প্রলোভন দেওয়ার প্রক্রিয়া এবং জান্নাতের টিকিট বিক্রির বিষয়টি সাধারণ ভোটাররা প্রত্যাখ্যান করেছে।