মার্কিন ডলারের বিপরীতে সিঙ্গাপুর ডলার ২০১৪ সালের অক্টোবরের পর সর্বোচ্চ শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিগত অবস্থান অপরিবর্তিত রাখতে পারে—এমন প্রত্যাশার মধ্যেই মুদ্রাটির এই উত্থান দেখা যাচ্ছে।
জাপানের সম্ভাব্য মুদ্রা হস্তক্ষেপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও হস্তক্ষেপের ইঙ্গিতের খবরে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ বেড়েছে। এর প্রভাব হিসেবে সিঙ্গাপুর ডলার ০.৩ শতাংশ শক্তিশালী হয়ে প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১.২৬৮৪ সিঙ্গাপুর ডলারে দাঁড়িয়েছে।
গত ২৩ জানুয়ারি নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার পর্যালোচনার পর থেকেই মার্কিন ডলার দুর্বল হতে শুরু করে। এতে জাপানি ইয়েনের মূল্য ১.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
মার্কিন ডলারের এই দুর্বলতার সুযোগে অন্যান্য এশীয় মুদ্রাও লাভবান হয়েছে। মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার ওন প্রায় তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার পরিবর্তনের পরিবর্তে মুদ্রার বিনিময় হার ব্যবস্থাপনায় বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। দেশটির শেয়ারবাজার, সরকারি বন্ড এবং ধারাবাহিকভাবে স্থিতিশীল নীতির কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ছে।
এর ফলশ্রুতিতে, গত ১২ মাসে মার্কিন ডলারের বিপরীতে সিঙ্গাপুর ডলারের মূল্য প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সূত্র: দ্য স্ট্রেইটস টাইমস