একবার চিন্তা করে দেখেন তো আপনার বাবাকে হত্যা, আপনার মাকে জেলে বিনা চিকিৎসায় ফেলে রাখা, আপনি এবং আপনার ভাই নির্বাসনে, আপনাকে পঙ্গু করে ফেলার চেষ্টা—সবকিছুতেই সহায়তাকারী হিসেবে সন্দেহভাজন, তার সঙ্গে সম্পর্ক আপনি কীভাবে দেখবেন? তবে হ্যাঁ! কেউ রাষ্ট্রের শপথ নেওয়ার পর অবশ্যই সব ব্যক্তিগত আবেগের বাইরে থাকতে হবে। তখন অবশ্যই রাষ্ট্রের নীতিতে কাজ করতে হবে। না হলে তা শপথ ভাঙার মতো অপরাধ হবে। বিস্তারিত বলার আগে ইতিহাসে যাই।
২০১০ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনার ভারত সফর ঢাকায় বিশাল আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। কিন্তু দুই প্রধানমন্ত্রীর যৌথ ঘোষণাপত্রে এমন কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়নি, যা সেই হাইপ বা উত্তেজনাকে যৌক্তিকতা দিত। ছিটমহল বিনিময় কার্যকর এবং তিস্তা চুক্তি না হওয়া ছিল উল্লেখযোগ্য। আমাদের বন্ধু জাফর সোবহান তখন বলেছিলেন, সবকিছুই যে সরকারি বিবৃতি থেকে বোঝা যায় না। দুই দেশের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে যে ‘মনোভাবের পরিবর্তন’ ঘটেছে, কোনো লেখা তা ধারণ করতে পারবে না।