কিছু অস্বস্তিও আছে। দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি অনেকটাই স্থবির। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কম। উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিনিয়োগে উৎসাহ না থাকায় শিল্পের মূলধনি যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল আমদানির চাহিদাও কম। ফলে ডলার খরচও কম; কিন্তু অর্থনীতি চাঙা হতে পারছে না।
জানতে চাইলে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘দেড়-দুই বছর ধরে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়েছে, কারণ এ সময়ে রিজার্ভ ভালো ছিল। রেমিট্যান্স আয় বেড়েছে। ভালো রিজার্ভ থাকায় জ্বালানি পণ্য আনতে বাড়তি তিন-চার বিলিয়ন ডলার খরচ করতে পেরেছি। বিদেশি ঋণও শোধ করা যাচ্ছে।’