জামায়াতের মতো ভণ্ডদের বাংলার মাটিতে আর রাজত্ব করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির নেতা ইশরাক হোসেন।এক রাজনৈতিক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মের নামে একটি গোষ্ঠী চাঁদাবাজি, লুটপাট ও দখলদারিত্বের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান কবজা করছে।
ইশরাক হোসেন বলেন, “ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যারা চাঁদাবাজি, লুটপাট ও দখলদারিত্বের করছে, জনগণকে প্রতারণা করছে—তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।” তিনি দাবি করেন, বর্তমানে ক্ষমতার ছত্রচ্ছায়ায় থেকে এসব গোষ্ঠী সারা দেশে দখলদারিত্ব চালাচ্ছে।
এক প্রতিপক্ষ প্রার্থীর করা মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তার বিরুদ্ধে যে কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। তার মতে, ওই প্রার্থীর উচিত জাতির সামনে দাঁড়িয়ে ক্ষমা চাওয়া। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট দলের উচিত তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রার্থিতা বাতিল করা।
নির্বাচন প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, তারা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন। “সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যাকেই বিজয়ী করবে, আমরা তা মাথা পেতে মেনে নেব,”—বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এবং জনগণের রায়ই চূড়ান্ত।
বিগত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সে আন্দোলনে অনেক সহযোদ্ধা প্রাণ দিয়েছেন। গুলি, হামলা বা হুমকিতে তারা ভয় পান না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার দাবি, বিদেশে বসে বাংলাদেশের রাজনীতিকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে এবং কিছু প্রার্থীকে লক্ষ্য করে সহিংসতার পরিকল্পনাও করা হয়েছে।
ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে ইশরাক হোসেন বলেন, তিনি উত্তরাধিকারভিত্তিক রাজনীতির বিরোধী। যোগ্যতা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণেই দল তাকে মনোনয়ন দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তি ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে। বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো ভণ্ড-চাঁদাবাজের রাজত্ব মেনে নেবে না।