গত শনিবার ইরানের জনগণের উদ্দেশে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ‘আপনাদের মুক্তির সময় ঘনিয়ে এসেছে। আমাদের কাজ শেষ হলে আপনারা সরকারের দায়িত্ব বুঝে নিন। এটি আপনাদেরই প্রাপ্য। সম্ভবত কয়েক প্রজন্মের মধ্যে এটিই আপনাদের একমাত্র সুযোগ।’
তবে ইরানের বিরোধী শিবিরের বিভিন্ন পক্ষের প্রধান উদ্বেগের বিষয় হলো—মার্কিন নাগরিকেরা খামেনিকে সরিয়ে দিলেও কেবল বিমান হামলার মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন (রেজিম চেঞ্জ) সম্ভব নয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু ইরানিদের জন্য ‘নিজেদের দেশ ফিরে পাওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ’। তবে তাঁর উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
উদ্বেগের বিষয় হলো, বিশেষ করে গত জুনে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ধাপের হামলার পর থেকে প্রকৃত ক্ষমতা মূলত ‘সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল’ এবং ‘ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি)’ হাতে চলে গেছে।
ফলে এই যৌথ অভিযান শেষ হওয়ার পর ইরানে একটি দুর্বল ও ক্ষতবিক্ষত কিন্তু অত্যন্ত ক্ষুব্ধ শাসনব্যবস্থা থেকে যেতে পারে। তারা টিকে থাকার লড়াইয়ে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠতে পারে এবং ট্রাম্পের উসকানিতে সাড়া দেওয়ার সাহস দেখালে সাধারণ মানুষকে দমনে আরও মরিয়া হয়ে উঠতে পারে।