আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘বিচার বিভাগকে এমন একটি জায়গায় নিয়ে যেতে চাই যেখানে এটি কেবল অর্থনৈতিকভাবেই নয়, বরং বুদ্ধিবৃত্তিকভাবেও দুর্নীতিমুক্ত থাকবে। বিগত শাসনামলে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির কারণে হাজার হাজার মানুষ ক্রসফায়ার ও গুমের শিকার হয়েছে এবং লাখ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে চাই।’
গতকাল দুপুরে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই কোনো বার অ্যাসোসিয়েশনে তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর। বিগত সময়ের বিচারব্যবস্থার সমালোচনা করে আইনমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মাসদার হোসেনরা এখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় বড় কথা বলছেন, অথচ তাঁরা নিজেরাই দুর্নীতির ডিপো। এক মক্কেলের কাছ থেকে রায় কিনে দেওয়ার নামে সোয়া কোটি টাকা চেকে নিয়েছেন এমন প্রমাণও আছে। আমরা মাসদার হোসেনদের মতো অনৈতিকতায় ভরপুর বিচারক বা আইনজীবী চাই না।’ মানবাধিকার কমিশন আইনের বর্তমান ত্রুটি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এমন কোনো কমিশন আমরা জনগণের টাকা দিয়ে পুষব না, যা কেবল পরামর্শ দেবে কিন্তু কার্যকর বিচার নিশ্চিত করতে পারবে না।’
যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বক্তৃতা করেন।