যাঁদের ডায়াবেটিসের বংশগত কারণ রয়েছে, কায়িক পরিশ্রম করেন না বা ওজন বাড়ছে, তাঁদের ডায়াবেটিস আছে কি না, তা দ্রুত নির্ণয় করতে হবে। আমাদের জানামতে, ৯২ শতাংশ ডায়াবেটিক রোগীর শর্করা নিয়ন্ত্রণে নেই। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের কর্মজীবন ও কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে, যা অর্থনীতির জন্যও ক্ষতিকর। আজ আমাদের যে স্লোগানটি রয়েছে ‘ডায়াবেটিস আমার, দায়িত্বও আমার’, এটি কিন্তু আসলেই নিজের। যতই চিকিৎসক থাকুন না কেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নিজেকেই সচেতন হতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিমাণমতো খেতে হবে, প্রতিদিন কায়িক পরিশ্রম করতে হবে। সুগার নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ ঠিকমতো খেতে হবে। রোগীকে ভাবতে হবে, তাঁর অন্য কোনো জটিলতা সৃষ্টি হলো কি না। এমন কোনো জটিলতার সৃষ্টি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।